,

সবুজ বনায়নের গাছ খেলেন গাছ খেঁকোরা

আমলা অফিস ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সড়কের প্রায় অর্ধশত সরকারী গাছ কর্তনের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ক্ষুদ্ধ হয়ে গাছ কাটা বন্ধ করে দিয়েছে। তবে এ ঘটনায় নিরব ভূমিকা পালন করছে বনবিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন। স্থানীয়দের অভিযোগ, দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের কালিদাসপুর গ্রামের সাবেক যুবদল নেতা আব্দুল্লাহ এর নেতৃত্বে তালবাড়ীয়া-চেংগাড়া রাস্তায় দুই ধারের প্রায় অর্ধশতাধিক গাছ কর্তন করেছে। স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে তিনি ইতিপূর্বেও বিভিন্ন সড়কের সরকারী গাছ কর্তন করেছিলো। স্থানীয়রা আরো জানায়, যে গাছ গুলো কর্তন করেছে তার বাজার মূল্য প্রায় আড়াইলক্ষ টাকা। গাছ কাটার সময় আমরা বাধা দেয়। এছাড়া গাছ কর্তনের সময় ছবি তুলেতে গেলে স্থানীয় সাংবাদিকদের হুমকি-ধামকি দেয় আব্দুল্লাহ। স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী জানান, সরকারী গাছ কর্তন করার সময় আমি সেখানে ছবি তুলতে গেলে আব্দুল্লাহ আমাকে হুমকি ধামকি দেয়। এবং বলে অনুমতি রয়েছে সরকারী গাছ কাটার। এ ব্যপারে আব্দুল্লাহ জানান, যে গাছগুলো কেটেছি তা বন কর্মকর্তাদের গাছ মারর্কিং এর লেবার খরচের জন্য। গাছগুলো বনবিভাগের সড়কের বনায়ন কর্মসূচির। সরকারী গাছ সরকারী লোকের টাকার জন্যই কেটেছি। এদিকে এলাকাবাসীর দাবী মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম সরকারী গাছ কেটে বিক্রির অনুমতি দিয়েছে। তবে বন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম জানান, গাছগুলো আমাদের না। আমাদের গাছগুলো মারর্কিং করা আছে। যে গাছ গুলো কেটেছে সেগুলো আমাদের না। সড়কের দুই পাশের গাছ সেগুলো। কাদের গাছ আমি জানি না। এদিকে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, আমি শুনেছি কোন গাছ কাটা হয়নি। বন বিভাগের গাছের ডাল কেটেছে তামাক চাষীরা। এদিকে সরোজমিনে দেখা গেছে প্রায় অর্ধশত মোটা গাছের গুড়ি রয়েছে। যেগুলো সদ্য কর্তন করা।


     এই বিভাগের আরো খবর