,

অস্তিত্বহীন চালকলের নামেও বরাদ্দ

সরকার আপদকালীন চাল মজুদ করছে জেলার চালকল মালিকদের কাছ থেকে। নির্দিষ্ট মুল্যে সরকার মিলারদের কাছ থেকে প্রতিবছরই কিনে থাকে চাল। মুলত চালের বাজার যাতে করে অস্থির না হয় সেই লক্ষেই সরকার চাল কিনে থাকে। কিন্তু চাল কিনতে গিয়ে অনেক সময় সিন্ডিকেট করে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। এনিয়ে মিডিয়াতেও বেশ গুরুত্বের সাথে লেখালেখি হয়। তবে এবার খোদ খাদ্য বিভাগের কর্তা ব্যক্তিরাই যুক্ত এই চাল সিন্ডিকেটে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। জেলার অস্তিত্বহীন চালকলের লাইসেন্স নিয়ে বছরের পর বছর চাল সরবরাহ করছে কুষ্টিয়া খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। এমনও কর্মকর্তা রয়েছেন পদোন্নতি পূর্বক বদলি হলেও সেই কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারীরা যোগদান করনে না নতুন কর্মস্থলে। মনাক্কা নামে এক উপ-পরিদর্শক হালসায় বদলি হলেও তিনি সেই কর্মস্থলে যোগদান করেননি। কথিত রয়েছে ওই কর্মকর্তা অফিস সহকারী থেকে খাদ্য বিভাগের উপ-পরিদর্শক হয়েছেন। প্রায় ২০ বছর তিনি চাকুরী করছেন একই কর্মস্থলে। শুধু খাদ্যকর্মকর্তারাই নয় জেলার চালকল মালিকরাও জড়িত এই অবৈধ কারবারে। এসংক্রান্ত সংবাদ অবশ্য রিতিমত তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি নিরব থাকেন তাহলে এমন অনাকাঙ্খিত ঘটনা বেড়েই যাবে। তাই এখনই সবয় ওই সমস্ত কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া।


     এই বিভাগের আরো খবর