,

আপনার বাড়িয়ে দেওয়া হাতটাই পারবে একদিন পুরো পৃথিবী টাকে বদলে দিতে

পথশিশুদের ছায়াতল একটি ক্ষুদ্র  স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।কিছুসংখ্যক ভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেমেয়েরা শ্যামলী পার্ক মাঠের নির্মল ঘাস ও ছাউনীর তলে এটি পরিচালনা করে চলেছে।নিজেদের খরচে পাশের বেশকিছু সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরকে শিক্ষাউপকরন প্রদান করে পড়াশুনা করানো সংগঠনটির প্রধান উদ্দেশ্য। এছাড়াও বছরের শুরুতে স্কুলে পড়তে পারবে এমন বাচ্চাদেরকে স্কুলে ভর্তি ও ভর্তি পরবর্তী সকল খরচ বহন করে থাকে।বাচ্চাগুলো অন্য সময়গুলোতে ভিক্ষাবৃত্তি করে থাকে,এ খারাপ অভ্যাস থেকে সরিয়ে আনতে বাচ্চাদের পরিবারগণের মাঝে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে দিতে কিছু কর্মপরিকল্পনাও রয়েছে। আর এ কাজগুলো করে থাকে নিজেদের হাতখরচের টাকা বাচিয়েও পরিচিত কেউ স্বেচ্ছায় কোনো সাহা্য্য করা অর্থ দিলে।আমাদের সাথে কথা হয় সংগঠনটির  প্রচার সম্পাদক বি এম জনি বিশ্বাসের সাথে কথা বললে,  তিনি বলেন বিকেলের অবসর সময়টা ওদের নিয়ে বসতাম,তখন বাচ্চা ছিল ১২ জন।এখন মোট  সংখ্যা ১০৯ জন, এখন তাদের তিনটি শাখা। শ্যামলী আর বাকি দুইটি গাবতলী দ্বীপনগরে। তিনি জানান তার সঙ্গে এখন ভার্সিটি   পড়ুয়া ৮জন ভাই-বোন বিকেলে সময় দেয়। বাচ্চাদের মাঝে পোশাক বিতরণ , পোশাক দেওয়াটা মূলত তাদের পড়াশুনায় অনুপ্রেণিত করারর জন্য।তিনি বলেন তাদের এ ক্ষুদ্র কাজ সমাজ,দেশের অগ্রগতিতে তেমন ভূমিকা রাখতে পারবে না,তবে মানুষিক প্রশান্তি আমাদের উজ্জীবিত করে রাখছে। বি এম জনি বিশ্বাস বলেন, আমার দ্বারা এদের একজন মানুষের মত মানুষ হলে দেশ ও জাতিকে যে সময় ও অজর্ন দিতে পারবে   অপরদিকে একজন কিশোর/বয়স্ক মানুষকে কোনভাবে সত্যিকার মানুষে পরিণত করতে পারলেও সুকাজে সেসময় কিন্তু দিতে পারছে না-আবার এদের হৃদয়টা নরম হওয়াই সহজে পারা গেলেও একজন বয়স্ক মানুষকে পোষ মানানো এতটা সহজে সম্ভব না;তাই আমি এটাই বেছে নিয়েছি।সমাজের সকলের পরামর্শ ও সহযোগীতা পাইলে আমাদের জন্য কাজটি আরও সহজ হয়; আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় হয়ত একদিন এরাই সমাজ ও দেশের সম্পদে পরিণত হতে পারে।
বি এম জনি বিশ্বাস
শ্যামলী পার্ক মাঠ,ঢাকা


     এই বিভাগের আরো খবর