,

চিত্র শিল্পী ও ব্যবসা সফল এম, মোশারফ হোসেনের জীবন জয়ের গল্প

এস আই সুমন-
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা সকলের পরিচিত এক হাঁসি খুশি একজন মানুষ, এম, মোশারফ হোসেন মুশা (৩৬)। জন্ম ০৫/০৭/১৯৮২ সালে। আঁকা আঁকির দারুন আগ্রহ সেই ছোট্ট থেকেই তবে পেশাগত ভাবে আঁকানো শুরু করেন ১৯৯৯ সাল থেকে। তিনি একাধারে একজন প্রতিভাবান চিত্র শিল্পী ও ব্যবসা সফল একজন মানুষ। প্রতিনিয়ত তিনি চিত্রশিল্পী হিসেবে মনোমুগ্ধকর বিভিন্ন চিত্র অংকন করে নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন। প্রথম অবস্থায় চিত্রশিল্পী হিসেবে পেশা শুরু করলেও আধুনিক যুগের পালাবদলে সেই হাতে আঁকা প্রাকৃতিক অপরুপ দৃশ্যে তুলে ধরা চিত্রশিল্পীর কদর কমতে শুরু করেছে। তবুও তিনি দমে যাননি বরং নিজের সমস্ত প্রতিভা কে কাজে লাগিয়ে বুকে আঁকড়ে ধরে রেখেছেন চিত্রশিল্পীর প্রতিভা টুকু। ডিজিটাল বিভিন্ন মাধ্যম ডিজিটাল প্রিন্টিং শুরু হওয়ায় সেই প্রতিভার মূল্যায়ন আর আগের মতো হয় না। অতীতে এমন হাজারো চিত্রশিল্পীর কদর ছিলো বহুগুণে। এই ক্রান্তি লগ্নে পেশাদারিত্বের পাশাপাশি শক্ত হাতেই চিত্রশিল্পী এম, মোশারফ হোসেন মুশা নিজের প্রতিভা টুকু দিন দিন নিজের মধ্যেই পরম যতেœ লালন পালন করছেন। তার হাতের ছোঁয়ায় একটা একটা চিত্রকর্ম যেনো শত প্রতিভার জয়গান গায়। প্রাকৃতিক অপরুপ মনোমুগ্ধকর দৃশ্য আর গাছপালা, তরুলতা, পাখি, পানির ঝরনা সবকিছুই যেনো রঙের তুলিতে জীবন্ত ভেসে উঠে। সারাদিনের ব্যবসায়িক শত ব্যস্ততার মাঝে অবসর সময়ে বা কখনো কখনো সারা রাত জেগে চলে চিত্রকর্ম। কোন প্রতিবন্ধকতা দমিয়ে রাখতে পারেনি এম, মোশারফ হোসেন মুশার পথচলা। হঠাৎই মধ্য রাতে দেখা হয় এম, মোশারফ হোসেন মুশার সাথে। দেখা যায় তার ব্যবসায়িক দোকানের পাশেই চলছে তার সুনিপুণ হাতে গড়া শিল্প কর্ম। কথা হয় এম, মোশারফ হোসেন মুশার সাথে। জানতে চাওয়া হয় তার প্রতিভার গল্প। হাঁসি ভরা মুখে বলেন, হরিপুরের সন্তান প্রয়াত কন্ঠশিল্পী চিত্রশিল্পী গীতিকার ও সুরকার প্রতিভাবান ও গুণী ব্যক্তি গুরু মামুন নদীয়ার কাছ থেকেই আমার চিত্রশিল্পীর হাতে খড়ি। তিনিই আমার চিত্রকর্মের গুরু। মামুন নদীয়ার উৎসাহ আর অনুপ্রেরণায় আজ আমি চিত্রশিল্পী হয়েছি। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো আমার চিত্রকর্মের মাধ্যমে আমার গুরু মামুন নদীয়া বেঁচে থাকবেন চিরদিন। তবে বর্তমানে ডিজিটাল প্রিন্টিং শুরু হওয়ায় আমাদের মতো চিত্রশিল্পীদের কদর কমে গেছে!


     এই বিভাগের আরো খবর