,

কোহলির হাত ধরে বেঁচে থাকবে টেস্ট ক্রিকেট : স্মিথ

টেস্ট ক্রিকেট তাদের হাত ধরে এগিয়েছিল অনেক দুর। প্রজন্মের পর প্রজন্মের বন্ধন যারা তৈরি করেন, তাদের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথ একজন। সেই স্মিথ যখন অডিয়েন্সে দাঁড়িয়ে বর্তমান কোনো ক্রিকেটারকে তেমনই বন্ধন তৈরির অন্যতম কারিগর বলে মনে করেন, স্বীকৃতি দেন তার অর্জনকে, তখন সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারের জন্য অবশ্যই সেটা অনেব বড় গৌরবের।

বিরাট কোহলি ক্যারিয়ারের এই মুহূর্তে যা অর্জন করে ফেলেছেন, তা দিয়েই ক্রিকেট ইতিহাসে কিংবদন্তি হয়ে থাকবেন। তবুও গ্রায়েম স্মিথের কণ্ঠে উচ্চসিত প্রশংসা ঝরে পড়লো বিরাট কোহলির। বললেন, ‘বিরাট কোহলি এমন এক ক্রিকেটার, যার হাত ধরে বেঁচে থাকবে টেস্ট ক্রিকেট।’

শুক্রবার ইডেন গার্ডেনে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি) পরিচালিত সাবেক আইসিসি এবং বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট প্রয়াত জগমোহন ডালমিয়ার দ্বি-বার্ষিকী কনক্লেভ অনুষ্ঠানে এসে বক্তব্য দিতে গিয়ে এমন এমন কথাই বললেন সাবেক প্রোটিয়া অধিনায়ক।

ভারত অধিনায়ককে জেন্টলম্যানস গেমের ‘সুপারস্টার’ আখ্যা দিয়ে স্মিথ বলেন, ‘বিশ্বক্রিকেট এই মুহূর্তে সুপারস্টারের সংকটে ভুগছে। ইংল্যান্ডে দু-একজন থাকলেও আক্ষরিক অর্থে বিরাটই এই মুহূর্তে আধুনিক ক্রিকেটের সুপারস্টার। নিজস্ব ব্যাটিং স্বকীয়তা পরিচিতি দিয়ে বিরাট যতদিন টেস্ট ক্রিকেটকে বাঁচিয়ে রাখবে, ততদিন টেস্ট ক্রিকেটের প্রাসঙ্গিকতা বজায় থাকবে।’

২৫ বছর আগে ২১ নভেম্বর প্রথম ফ্লাডলাইটের আলোয় দিন-রাতের ম্যাচ দেখেছিল কলকাতার বিখ্যাত ক্রিকেট ভেন্যু ইডেন গার্ডেন। যার হাত ধরে ফ্লাডলাইটের স্বাদ পেয়েছিল ইডেন গার্ডেন, সেই জগমোহন ডালমিয়ার স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় কলকাতায় আসেন দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটের অন্যতম সফল অধিনায়ক। ব্যক্তিগত চার্টার্ড বিমানেই ইডেনে পৌঁছান স্মিথ। অনুষ্ঠানে ভারতীয় ক্রিকেটের পোস্টার বয় বিরাটের অধিনায়কত্ব নিয়েও ভূয়সী প্রশংসা শোনা যায় তার কণ্ঠে।

জগমোহন ডালমিয়ার স্মারক বক্তৃতায় স্মিথ দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটে জগমোহন ডালমিয়ার অবদানের কথাও তুলে ধরেন। বর্ণবৈষম্যের কালো অধ্যায় কাটিয়ে ২৫ বছর পর ইডেনের মাটিতেই প্রথম ম্যাচটি খেলতে নেমেছিল প্রোটিয়ারা। খুব ছোট্ট বয়সে গ্রায়েম স্মিথ দেখেছিলেন ‘সিটি অফ জয়’ কলকাতা কিভাবে আপন করে নিয়েছিল তার দেশকে। স্মারক বক্তৃতা দিতে গিয়ে সেই স্মৃতিতেই ডুব দিয়েছিলেন স্মিথ।

এছাড়াও পাঁচ দিনের ক্রিকেটকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ‘ডিউক’ বলেই টেস্ট ক্রিকেট খেলার পক্ষে নিজের মত তুলে ধরেন স্মিথ। তিনি বলেন, ‘কোকাবুরা বল তুলনামূলক সফট এবং স্যুইংয়ে ক্ষেত্রে কার্যকরী নয়। তাই টেস্ট ক্রিকেটকে বাঁচিয়ে রাখতে ডিউক বলই আদর্শ।’


     এই বিভাগের আরো খবর